Saturday, 8 March 2025

অবস্থার অবনতি, মাগুরার সেই শিশুকে ঢামেক থেকে সিএমএইচে স্থানান্তর

 অবস্থার অবনতি, মাগুরার সেই শিশুকে ঢামেক থেকে সিএমএইচে স্থানান্তর


মাগুরায় ধর্ষণের শিকার শিশুটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচে) পাঠানো হয়েছে। 


শনিবার (৮ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শিশুটিকে নিয়ে একটি অ্যাম্বুলেন্স সিএমএইচে পৌঁছে। 

শিশুটিকে সিএমএইচে স্থানান্তরের বিষয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক আশরাফুল আলম বলেন, আজ দুপুরে ধর্ষণের শিকার শিশুটিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দেখতে যান সমাজ কল্যাণ উপদেষ্টা শারমিন মুর্শিদ। উপদেষ্টার নির্দেশ ও শিশুটির চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সুপারিশে শিশুটিকে সিএমএইচে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়।  

হাসপাতাল সূত্র জানায়, শিশুটিকে কার্ডিয়াক অ্যাম্বুলেন্সে করে সিএমএইচে নেওয়া হয়। এ সময় শিশুটির সঙ্গে একদল চিকিৎসক ছিলেন। এর আগে, এদিন দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেছিলেন, শিশুটির অবস্থা আশঙ্কাজনক। ভেন্টিলেটর যন্ত্রের সাহায্যে তার শ্বাসপ্রশ্বাস চলছে বলে জানানো হয়। পাশবিক নির্যাতনের কারণে শিশুটির যৌনাঙ্গে ক্ষত রয়েছে। তার গলার আঘাত গুরুতর। শিশুটির চিকিৎসায় গাইনি ও অ্যানেসথেসিওলজি বিভাগের চিকিৎসকদের নিয়ে মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। তাদেরকে সর্বোচ্চ চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে।

মাগুরা শহরে বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে আট বছরের ওই শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে জানা গেছে। শনিবার সকালে চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে শিশুটির মামাতো ভাই জানান, তার বোন এখনো অচেতন। তার জ্ঞান ফেরেনি। চিকিৎসকেরা বলেছেন, তারা আগামী ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখবেন। অচেতন অবস্থায় শিশুটিকে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পুলিশ ও ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অচেতন অবস্থায় শিশুটিকে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে দুপুরেই উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে সেখান থেকে পাঠানো হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।


মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের চিকিৎসকেরা জানান, তাৎক্ষণিক পরীক্ষা করে দেখা গেছে, শিশুটির গলায় একটা দাগ আছে। মনে হচ্ছে, কিছু দিয়ে চেপে ধরা হয়েছিল। শরীরের বেশ কিছু জায়গায় আঁচড় আছে। তার যৌনাঙ্গে রক্তক্ষরণ হয়েছে।

এদিকে এ ঘটনায় মামলা করেছেন শিশুটির মা। শনিবার সকালে বড় বোন ও বাবাকে দিয়ে শিশুটির মা মাগুরা সদর থানায় এজাহার পাঠান। সে অনুযায়ী বেলা তিনটার দিকে মামলা রুজু হয়।

মামলায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(৪) এর ক/৩০ ধারায় ধর্ষণ ও ধর্ষণের মাধ্যমে আহত করার অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলায় শিশুটির বোনের স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়ি ও ভাশুরকে আসামি করা হয়েছে। তারা আগে থেকেই পুলিশের হেফাজতে ছিলেন। তাদের ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

Copied from: https://rtvonline.com/


Thursday, 6 March 2025

তুমি আমার মৃত্যুর লাস্ট ৭ মিনিট’ পোস্ট দিয়ে কলেজছাত্রের আত্মহত্যা

 তুমি আমার মৃত্যুর লাস্ট ৭ মিনিট’ পোস্ট দিয়ে কলেজছাত্রের আত্মহত্যা  


গাজীপুরের শ্রীপুরে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন সৌরভ হাসান দিপু (২২) নামে এক যুবক।


বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের সিংগার দিঘি এলাকায় নিজঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় কাপড় পেঁচিয়ে ফাঁস নেন ওই যুবক। সৌরভ হাসান দিপু সিংদিঘি গ্রামের শাহীন মিয়ার ছেলে।


এর আগে, বুধবার রাতে সৌরভ হাসান দিপু তার ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে একটি স্ট্যাটাস দেন, যেখানে তিনি স্ত্রীর উদ্দেশে লেখেন, ‘সাধের জীবন নষ্ট করলাম শুধু তোর জন্য, তুই ভালো থাক, দোয়া করি আল্লাহ তোরে অনেক ভালো রাখুক।’


এরপর তিনি আরও লেখেন, ‘ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন, শেষ পিক। হয়তো আর কোনোদিন প্রোফাইল চেঞ্জ করব না। ভালো থাকুক সবাই, আল্লাহ হাফেজ।’


বৃহস্পতিবার সকালে তিনি ফেসবুকে গলায় ফাঁস দেওয়ার ছবি পোস্ট করে লেখেন, ‘তুমি আমার মৃত্যুর সেই লাস্ট ৭ মিনিট, যা মৃত্যুর পরও মস্তিষ্কে থেকে যাবে। সত্যি কথা কি জানো? আমি তোমাকে বাস্তবে না পেলাম? আমি তোমাকে অনুভবে ভালোবাসব সারা জীবন প্রিয়। আল্লাহ হাফেজ।’


চকপাড়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ হাসমত উল্লাহ জানান, একই গ্রামের জাহাঙ্গীরের মেয়ে তারিন আক্তারের সঙ্গে কলেজছাত্র সৌরভের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে তারা দুজনে বিয়ে করেন। মেয়ের পরিবারের লোকজন তাদের বিয়ে মেনে নেয়নি। পরে মেয়ের পরিবার আইনগত প্রক্রিয়ায় সৌরভের স্ত্রীকে তার কাছ থেকে নিয়ে যায়। এরপর থেকে সৌরভ তার স্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বিভিন্ন সময় তার ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিতেন।


সৌরভের স্বজনরা জানায়, সৌরভ কলেজে ভর্তি হলেও নিয়মিত কলেজে যেতেন না, বাড়িতেই থাকতেন। তাকে কেউ কিছুই বলতো না। সে কেন এই ঘটনা ঘটিয়েছে, বুঝতে পারছি না।


প্রতিবেশী পাভেল বলেন, সৌরভের ফেসবুক এরকম পোস্ট দেখে লোকজন তার বাড়িতে বিষয়টি জানায়। তার ভাই সিফাত দৌড়ে গিয়ে সৌরভের ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখতে পায়। বাহির থেকে ডাকাডাকি করেও সাড়া শব্দ না পেয়ে পাশের টিনশেড ঘর থেকে দেখতে পান সৌরভ ঘরের আড়ার সঙ্গে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে। পরে দরজা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে তার মরদেহ নামিয়ে রাখেন স্বজনেরা।


শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জয়নাল আবেদীন মণ্ডল বলেন, পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।


Copied from: https://rtvonline.com/

Wednesday, 5 March 2025

নার্স ভা র তী য় শুনেই মেরে মুখের হাড় ভে ঙে দিলেন রোগী!

 নার্স ভা র তী য় শুনেই মেরে মুখের হাড় ভে ঙে দিলেন রোগী!


ভারতীয়দের পছন্দ করেন না। তাই নার্স ভারতীয় জানার পর তাকে মেরে মুখের হাড় ভেঙে দিয়েছেন এক তরুণ।

ঘটনাটি ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার একটি হাসপাতালে। সেখানে কর্মরত ভারতীয় বংশোদ্ভূত নার্স লীলাম্মা লালের (৬৭) ওপর চড়াও হন স্থানীয় এক যুবক।

সেখানকার পামস ওয়েস্ট হাসপাতালের একটি কক্ষে লীলাম্মা লালের ওপর চড়াও হন ৩৩ বছর বয়সী স্টিফেন স্ক্যান্টলবারি নামে এক রোগী।

এ ঘটনার পর হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান স্ক্যান্টলবারি। ওই তরুণ মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন বলে জানা গেছে। তার বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে।

পাম বিচ কাউন্টি শেরিফের অফিসের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, স্ক্যান্টলবারির আক্রমণে লীলাম্মা গুরুতর আহত হয়েছেন। তার মুখের হাড় ভেঙে গেছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে মানসিক সমস্যা থাকায় চিকিৎসার জন্য তাকে কিছুটা ছাড় দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জে শামীম ওসমানের দোসরকে প্রতিহতের ঘোষণা ছাত্রদল নেতার

 

নারায়ণগঞ্জে শামীম ওসমানের দোসরকে প্রতিহতের ঘোষণা ছাত্রদল নেতার



ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সদস্য ও নৌকার চেয়ারম্যান সেন্টুকে প্রতিহতের ঘোষণা দিয়েছেন জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি নাজমুল হাসান। পতিত স্বৈরাচারের দোসর শামীম ওসমানের ঘনিষ্ঠ সহচর সেন্টুর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই সরব জেলা ছাত্রদলের এই নেতা। এবার ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে সেন্টুকে প্রতিরোধের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

জানা যায়, আওয়ামী দোসর সেন্টু ৫ আগস্টের দিন থেকেই বিএনপিতে ফেরার চেষ্টায় মরিয়া। নৌকা প্রতীকের ইউপি চেয়ারম্যান সেন্টু বিএনপির বিভিন্ন মহলে করছেন তদবিরও। সাবেক সংসদ সদস্য  মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিনসহ বিএনপির স্থানীয় নেতা-কর্মীরা সেন্টুকে বিএনপির ব্যানার ব্যবহার করতে দিতে রাজি নন। তারা বরং সেন্টুর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার পক্ষে। ইতোমধ্যে নিজ এলাকায় ‘পল্টি সেন্টু’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন সেন্টু। 

নাজমুল তার স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘আওয়ামী লীগের দালাল মনিরুল আলম সেন্টুকে প্রতিহত করার জন্য জিয়ার সৈনিকেরা প্রস্তুত থাকবে।’

নাজমুলের অবস্থানকে সমর্থন করে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা বলছেন, গডফাদার শামীম ওসমানের ছায়াতলে থেকে, আওয়ামী লীগের সদস্য পদ নিয়ে নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করা সেন্টুকে বিএনপিতে কোনোভাবেই ঠাঁই দেওয়া যাবে না। 

তারা বলেন, যে সেন্টু ৫ আগস্টের আগে ছাত্রজনতাকে সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়েছে, সেই সেন্টুকে যে বা যারাই বিএনপিতে ঠাঁই দেওয়ার চেষ্টা করবে, তাদেরও প্রতিরোধ করা হবে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্রজনতা হত্যার কমপক্ষে আটটি মামলার আসামি সেন্টুর দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন তারা।

মোবাইলে ভিডিও রেকর্ড চালু রেখে ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা

 মোবাইলে ভিডিও রেকর্ড চালু রেখে ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা


মোবাইল ফোনের ভিডিও রেকর্ড চালু রেখে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন কুড়িগ্রামের কচাকাটা বাজারের এক মিষ্টি ব্যবসায়ী। আত্মহত্যার আগে একটি চিরকুটও লিখে যান তিনি। ওই ব্যবসায়ীর নাম সুরজিৎ মন্ডল। তিনি রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার সমাধী নগড় ইউনিয়নের হাবাসপুর আগপোটরা গ্রামের গোবিন্দ মন্ডলের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন থেকে কুড়িগ্রামের কচাকাটা বাসস্টান্ডে অর্পিতা সুইটস নামের একটি দোকান পরিচালনা করতেন। মঙ্গলবার রাতে নিজ দোকানের ভেতরে ঘরের আঁড়ার সঙ্গে রশি দিয়ে ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। 


বুধবার (৫ মার্চ) সকালে দোকানের কর্মচারীরা মিষ্টি তৈরির ঘরের আঁড়ার সঙ্গে রশিতে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তাকে। পরে খবর পেয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য কুড়িগ্রাম হাসপাতাল মর্গে পাঠায় কচাকাটা থানা পুলিশ। 


আত্মহত্যার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া তার চালু রাখা মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ হয়। এর আগে আত্মহত্যা সংক্রান্ত একটি চিরকুটও লিখে যান তিনি। এসব বিষয় নিশ্চিত করেছেন কচাকাটা থানার ওসি নাজমুল আলম। 


তার লিখে যাওয়া চিরকুটের একাংশে লেখা রয়েছে, ‘হে কচাকাটা বাসিন্দাবৃন্দ ওরা বুঝি আমাকে এখানে ব্যবসা করিতে দেবে না। ওরা এতদিন পর্দা দিল তাতে কোন দোষ নাই। কিন্তু এখন আমার দোকানের সামনেই আমার টেবিল ও সাইনবোর্ড পর্দা রাখতে দিতে দেয় না। ও বিভিন্ন কারণে অনেক হয়রানি ও…’


স্থানীয়রা জানান, সুরজিৎ দীর্ঘদিন থেকে স্থানীয় মিলন মিয়ার ঘর ভাড়া নিয়ে মিষ্টির ব্যবসা করে আসছিলেন। কয়েক মাস আগে ওই ঘর ছেড়ে দিয়ে পাশের একটি ঘর ভাড়া নিয়ে মিষ্টি তৈরির কারখানা বসান। এবং সামনের রাস্তায় টেবিল চেয়ার বসিয়ে মিষ্টি বিক্রি করতেন। 


কচাকাটা থানার ওসি নাজমুল আলম বলেন, আত্মহত্যাকারী ব্যবসায়ীর ভিডিও বার্তা ও সুসাইডাল নোট উদ্ধার করা হয়েছে।সুসাইডাল নোটে তার মৃত্যুর জন্য কাউকে দায়ী করেন নাই। মোবাইল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ভিডিও রেকর্ডটি দেখা সম্ভব হয়নি। তদন্ত শেষ হলে তার আত্মহত্যার কারণ জানা যাবে।


Copied from: https://rtvonline.com/


এস আলম পরিবারের ১২ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

 এস আলম পরিবারের ১২ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

ব্যবসায়ী গোষ্ঠী এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম এবং তাঁর পরিবারের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ১১ ব্যক্তির দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল মঙ্গলবার (৪ মার্চ) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. জাকির হোসেন গালিবের আদালত দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

নিষেধাজ্ঞা দেওয়া অন্যরা হলেন- বেলাল আহমেদ, ফসিহল আলম, সাজেদা বেগম, মাহমুদুল আলম, মো. মোস্তান বিল্লাহ আদিল, আতিকুর জেনি, লুৎফুন নাহার, আলহাজ চেমন আরা বেগম, মায়মুনা খানম, বদরুননেসা আলম ও শারমিন ফাতেমা।

দুদকের আদালতের প্রসিকিউশন বিভাগের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম বলেন, দুদকের পক্ষে এ আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করেন।

আবেদনে বলা হয়, এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে সিঙ্গাপুর, ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ড, সাইপ্রাস ও অন্যান্য দেশে এক বিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে।

অনুসন্ধানকালে জানা যায়, অভিযোগ-সংশ্লিষ্টরা যে কোনো সময় দেশ থেকে পালিয়ে বিদেশে অবস্থান নেবেন। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা না গেলে অভিযোগ প্রমাণ দুরূহ হয়ে পড়বে। এজন্য অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তাদের বিদেশ গমন রহিত করা আবশ্যক।

Monday, 17 February 2025

ভারতে পণের দামি গাড়ি না পেয়ে নববধূকে এইচআইভি সংক্রমিত ইঞ্জেকশন পুশ!


 ভারতের উত্তরাখণ্ডের হরিদ্বারে পণ না দেওয়ায় এক নববধূকে এইচআইভি সংক্রমিত ইনজেকশন পুশ করার অভিযোগ উঠেছে শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতের নির্দেশে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।


নির্যাতিতার বাবা জানান, ২০২৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি তাঁর মেয়ে সোনাল সাইনি ও অভিষেক ওরফে সচিনের বিয়ে হয়। বিয়েতে কনে পক্ষ শ্বশুরবাড়ির দাবি অনুযায়ী একটি গাড়ি ও নগদ ১৫ লাখ টাকা যৌতুক হিসেবে দেয়। তবে তাতেও বরপক্ষ সন্তুষ্ট ছিল না। তারা আরও ২৫ লাখ টাকা ও একটি স্করপিও এসইউভি গাড়ির দাবি তোলে। কিন্তু কনের পরিবার তা দিতে না পারায়, সোনালকে শ্বশুরবাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়।

পরে স্থানীয় পঞ্চায়েতের মধ্যস্থতায় সোনালকে পুনরায় শ্বশুরবাড়িতে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু সেখানে ফেরার পরও তাঁর ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চলতে থাকে। মেয়ের পরিবারের অভিযোগ, একপর্যায়ে শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাঁকে এইচআইভি সংক্রমিত ইনজেকশন প্রয়োগ করে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করে।

পরবর্তীতে সোনালের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা পরীক্ষার পর জানান, তিনি এইচআইভি পজিটিভ। তবে তাঁর স্বামী অভিষেকের রিপোর্ট নেগেটিভ আসে।

এই ঘটনায় সোনালের পরিবার পুলিশের কাছে অভিযোগ করলেও প্রথমে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পরে স্থানীয় আদালতে মামলা দায়ের করা হলে, আদালতের নির্দেশে গঙ্গোহ কোটওয়ালি পুলিশ অভিষেক ওরফে সচিন, তাঁর বাবা-মা এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের বিরুদ্ধে যৌতুকের জন্য হয়রানি, নির্যাতন, হত্যাচেষ্টাসহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছে।

অবস্থার অবনতি, মাগুরার সেই শিশুকে ঢামেক থেকে সিএমএইচে স্থানান্তর

 অবস্থার অবনতি, মাগুরার সেই শিশুকে ঢামেক থেকে সিএমএইচে স্থানান্তর মাগুরায় ধর্ষণের শিকার শিশুটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপা...